31.8 C
Chittagong
শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকনিজেদের বাঁচাতে আফ্রিকার সেনাশাসিত মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার’র জোট!

নিজেদের বাঁচাতে আফ্রিকার সেনাশাসিত মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার’র জোট!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আফ্রিকার তিন দেশ- মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজারে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছে দেশগুলোর সেনাবাহিনী। এবার নিজেদের রক্ষা করতে জোট গঠন করেছে এই তিন দেশের সেনা সরকার। এর নাম দেওয়া হয়েছে সাহেল প্রতিরক্ষা জোট।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ মোকাবিলা এবং বহিঃশক্তির আগ্রাসন থেকে বাঁচতে একে অপরকে রক্ষা করতেই এই জোট গঠন করেছে মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার।

গতকাল শনিবার তিন দেশের সামরিক নেতারা জোট গঠনের চুক্তিতের স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুসারে, জোটের কোনো দেশ কখনো কোনো বিপদে পড়লে এমনকি সামরিকভাবে বিপদের মুখে পড়লে জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো তাকে রক্ষা করবে।

এর আগে লিপটাকো-গুরমা চার্টারে স্বাক্ষর করে তিন দেশ। তারই ধারাবাহিকতায় সাহেল প্রতিরক্ষা জোট গড়েছে তারা।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘চুক্তিবদ্ধ এক বা একাধিক দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর যেকোনো আক্রমণ অন্যান্য পক্ষের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বলে বিবেচিত হবে।’

চুক্তিতে আরো বলা হয়েছে, ‘এটি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র বিদ্রোহ প্রতিরোধ বা নিষ্পত্তি করতে কাজ করার জন্য তিনটি দেশকে আবদ্ধ করে।’

এ বিষয়ে মালির সামরিক সরকারের প্রধান আসিমি গইতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘আমি আজ বুরকিনা ফাসো ও নাইজারের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাহেল অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা ও পারস্পরিক সহায়তা কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লিপটাকো-গুরমা সনদে স্বাক্ষর করেছি।’ লিপটাকো-গুরমা হলো সেই অঞ্চল যেখানে মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারের সীমান্ত মিলিত হয়েছে।

চুক্তির বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আব্দুলায়ে দিওপ বলেছেন, ‘জোটটি তিন দেশের সামরিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে জোরদার করবে। এ ছাড়া তিন দেশের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করাও আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।’

পশ্চিম আফ্রিকান আঞ্চলিক ব্লক ইসিওডব্লিউএএস অভ্যুত্থানের পর নাইজারে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছিল। এর পরপরই মালি ও বুরকিনা ফাসো দ্রুত জবাব দেয় যে এ ধরনের কোনো হস্তক্ষেপ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার সামিল বলে বিবেচিত হবে।

ওই অভ্যুত্থানের পর থেকে ফ্রান্সের সাথে দেশ তিনটির সম্পর্ক তিক্ত হয়ে পড়েছে।