27.4 C
Chittagong
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদরাজনীতিজাতীয় পার্টির ইশতেহার ঘোষণা

জাতীয় পার্টির ইশতেহার ঘোষণা

শান্তির জন্য পরিবর্তন, পরিবর্তনের জন্য জাতীয় পার্টি’ এ স্লোগান সামনে রেখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

দলটির মহাসচিব বলেন, নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করতে পারলে প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তন, দুর্নীতি ও অর্থপাচার রোধে কাজ করবে তার দল।

এছাড়াও দেশের চলমান বাস্তবতায় কর্মসংস্থান, বিকেন্দ্রীকরণ, বিচারব্যবস্থা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ঘোষণা রয়েছে জাপার নির্বাচনী ইশতেহারে।

গত ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়। এবার দলটি এককভাবে ২৮৭টি আসনে প্রার্থী দিলেও ২৬টি আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের সমঝোতা হয়েছে।

তবে এরই মধ্যে ১৬টি আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীরা ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছন।

দলটির ইশতেহারে প্রাদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তন, দুর্নীতি ও অর্থপাচার রোধের মতো বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও দেশের চলমান বাস্তবতায় কর্মসংস্থান, বিকেন্দ্রীকরণ, বিচারব্যবস্থা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি রয়েছে জাপার নির্বাচনি ইশতেহারে।

এবার জাতীয় পার্টির নির্বাচনি ইশতেহারে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি বন্ধের বিষয়টি। এছাড়া কর্মমুখী শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি ইশতেহারে গুরুত্ব পেয়েছে। উপজেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের কথাও বলা হয়েছে।

ক্ষমতায় গেলে নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে চায় দলটি। সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জাপার ইশতেহারে। পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে এবারের ইশতেহারে।

জাতীয় পার্টির ইশতেহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:

১. প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হবে
২. ঢাকা থেকে ৫০ শতাংশ সদর দপ্তর স্থানান্তর করা হবে
৩. নিবাচন পদ্ধতি সংস্কার করা হবে
৪. দুদককে সরকারি প্রভাব মুক্ত রাখা হবে
৫. বিশেষ ক্ষমতা আইন বাতিল করা হবে।
৬. প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো হবে
৭. কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী আইন পাশ করবে না
৮. ইসলামিক কমিশন গঠন করা হবে
৯. বিশ্ব ইজতেমার জন্য স্থানী জায়গার ব্যবস্থা করা হবে
১০. নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রপ্রয়োজনে মৃত্যুরদণ্ডের বিধান রেখে আইন করা হবে
১১. সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়, এই নীতি হবে দেশের আন্তর্জাতিক নীতি।