28.8 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদঅর্থ-বাণিজ্যচট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা,সম্পদ তদন্তের আবেদন

চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা,সম্পদ তদন্তের আবেদন

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান আন্দোলনের আড়ালে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

একইসঙ্গে এসব কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকায় তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি ও সম্পদের হিসাব তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হাসিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২-এর ৫০ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে অভিযুক্ত ১৫ কর্মচারীকে বদলিপূর্বক মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বদলি কর্মচারীদের মধ্যে অডিট সহকারী, ইঞ্জিন ড্রাইভার, স্টেনো টাইপিস্ট, উচ্চ বহিঃসহকারী, ইসিএম ড্রাইভার ও মেসনসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পদের কর্মচারী রয়েছেন।

আদেশে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্ত কর্মচারীরা আন্দোলনের নামে বন্দর এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তরা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শুধু বদলিই নয়, অভিযুক্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অফিস আদেশে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) এসব কর্মচারীর নামে থাকা সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশ অনুযায়ী, বদলিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন- এনসিটি ইস্যুতে আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির (অডিট সহকারী), মো. ইব্রাহিম খোকন (ইঞ্জিন ড্রাইভার), মো. জহিরুল ইসলাম (স্টেনো টাইপিস্ট), মানিক মিস্ত্রি (ইসিএম ড্রাইভার) ও মো. শামসু মিয়া (মেসন)।

অন্যরা হলেন, মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ শাকিল রায়হান, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল এবং মোহাম্মদ রাব্বানী।

এ বিষয়ে জারি করা আদেশের অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।