28.1 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদচট্টগ্রামচবিতে যৌন হয়রানিতে জড়িত একাধিক শিক্ষক/অভিযোগ শিক্ষার্থীদের

চবিতে যৌন হয়রানিতে জড়িত একাধিক শিক্ষক/অভিযোগ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন বিভাগে এভাবে নিপীড়ন চলে আসলেও, এতদিন কেউ মুখ না খোলায় তা জানা যায়নি।

জানা গেছে, ব্যবহারিক বা থিসিসের কাজে নিয়মিতই ল্যাবে কাজ করতে হয় বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে উচ্চতর গবেষণার কাজে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে থেকে কাজ করতে হয় রাত পর্যন্ত।

পিতৃতুল্য শিক্ষকের কাছে থেকে গবেষণার কাজ করার যে আস্থা, সেটিতে চিড় ধরেছে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মাহবুবুল মতিনের বিরুদ্ধে ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর।

এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনার মধ্যে এই বিভাগের আরও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রীদের হেনস্থার এমন ঘটনা নতুন নয়, কিংবা রসায়ন বিভাগেরই নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে চলছে বিভিন্ন বিভাগেই। তবে সম্মানের কথা ভেবে মুখে খুলে না অনেকেই।

মাঝেমধ্যেই আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ উঠলেও; গত এক দশকে যৌন হয়রানি নিয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়ার নজির নেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের।

শিক্ষার্থীরা বলেন, যৌন হয়রানি যে শুধু রসায়ন বিভাগে হয় তা কিন্তু নয়। দেখা যাবে অনেক বিভাগেই এমনটা আছে কিন্তু প্রকাশ পায় না। শিক্ষকরা যদি শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের দেখতে না পারেন, তাহলে আমরা বাবার যে সম্মান তা তাদের দিতে পারবো না।

আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। তা না হলে আমরা কখনোই ল্যাবে এসে কাজ করতে পারব না। আমাদের পরিবার থেকে ল্যাবে আসতে দেয়া হবে না, আমরা অনেক বিপত্তির মধ্যে থাকব।

কেনইবা পিতা-কণ্যা তুল্য সম্পর্কের এমন অবনতি? তাতে, রসায়ন বিভাগেইবা কেন এত অভিযোগ? বিষয়টিতে চরম বিব্রত বিভাগের শিক্ষকরা বলছেন, এর দায় বিভাগ বা প্রতিষ্ঠানের নয়, পুরোটাই ব্যক্তির নিজের।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফণী ভূষণ বিশ্বাস বলেন, ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে যদি দূরত্ব তৈরি হয়। তাহলে এটা আমাদের জন্য অবশ্যই সতর্কবার্তা।

তাদের সঙ্গে যদি আমাদের গ্যাপটা তৈরি হয়ে যায়, বিশ্বাসের জায়গাটা যদি নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে শিক্ষা প্রদানেও বাধাগ্রস্ত হবে বলে আমি মনে করি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের প্রধান, উপাচার্য ডক্টর শিরীণ আখতার। তিনি বলছেন, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাবে তার প্রশাসন।