Homeআন্তর্জাতিকযে শিশু নেমেছে নদীরক্ষার মিশনে

যে শিশু নেমেছে নদীরক্ষার মিশনে

মাত্র ১১ বছর বয়সেই পরিবেশকর্মী হয়ে উঠেছে ফরাসি এক শিশু। রাফায়েল নামের শিশুটি পানির তলদেশে থেকে তুলে আনছে ইলেক্ট্রিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য। চুম্বকের সাহায্যে সমুদ্র তলদেশ থেকে সে তুলছে, লোহা, বাইকের ভাঙা অংশ, সাইকেল এমনকি মোবাইল।

রাফায়েল তার ছোট্ট হাতেই রক্ষা করতে চায় ধরিত্রী। ঢাল-তলোয়ার বলতে একটা বড়সড় চুম্বক। যা দিয়ে সে বানিয়েছে বড়শির আদলের যন্ত্র। সেটা দিয়েই সেইন নদী আর প্যারিসের খালে চলে বর্জ্য পরিষ্কারের অভিযান।

ক্ষুদে পরিবেশকর্মী রাফায়েল জানায়, এই কাজের মাধ্যমে পৃথিবীর জন্য কিছু করতে চায় সে। যদিও এটা যথেষ্ট নয়। তবে সে বলে, আমার বয়সী যারা বাড়িতে বসে খেলাধুলা করে, তাদের থেকে অন্তত ভালো কাজ করছি। আমার পক্ষে পুরো পৃথিবীর ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব না। তবে যতটা সম্ভব করছি।

মাছ ধরার শখ থেকেই প্রথমে রাফায়েলের মাথায় আসে আইডিয়াটি। ইউটিউব দেখে চুম্বক আর লোহা দিয়ে বানিয়ে ফেলে যন্ত্র। লকডাউনের মধ্যেই শুরু হয় অভিযান। এরইমধ্যে কাজের স্বীকৃতিও পেয়েছে এই ক্ষুদে পরিবেশকর্মী।

রাফায়েল জানায়, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই তার লক্ষ্য। যাতে তারাও অন্তত কিছু করে। নদী থেকে তাদের ময়লা তুলতে হবে না। রাস্তা থেকেই অন্তত একটা সিগারেটের অংশ তুলে নিক।

গত দেড় বছরে নদী আর খালগুলো থেকে সে সংগ্রহ করেছে অন্তত ৩শ বাইক, ২শ স্কুটার এবং ১শ শপিং ট্রলি। রাইফেল, শর্টগান আর বেয়োনেটের মত জিনিসও উঠে এসেছে তার বড়শিতে। মিলেছে মূল্যবান ক্যামেরা, ঘড়ি এমনকি হীরাও।

ইলেকট্রিক স্কুটারগুলো বেশ বিপজ্জনক। এর লিথিয়াম ব্যাটারি পানির নিচেও বিস্ফোরিত হয়। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের এতো খবর আসছে। কিন্তু এসব ভয়াবহ বিষয়ের দিকে সেভাবে নজর দিচ্ছি না আমরা। এমনটি বলেই ক্ষোভ প্রকাশ করে রাফায়েল।

শিশু রাফায়েলের সংগ্রহশালা নিয়ে হতে যাচ্ছে প্রদর্শনী। চলতি মাসেই সেইন নদীর পাড়ে বসবে সেই আয়োজন।

প্রেমিকার আত্মহত্যা, হাসপাতাল থেকে লাফিয়ে প্রেমিকের আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রতীকী ছবি।বগুড়া ব্যুরো: প্রেমিকের সাথে বাকবিতণ্ডার জেরে অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড (গ্যাস ট্যাবলেট) সেবন করে বগুড়ার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিদা আকতার আত্মহত্যা...