27.5 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদচট্টগ্রামবাজারে কাঁচামরিচের ঝাঁজই বেশি

বাজারে কাঁচামরিচের ঝাঁজই বেশি

চট্টগ্রামে এ সপ্তাহের বাজারে বেড়েই চলেছে কাঁচামরিচের দাম। ছোট জাতের দেশীয় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৩৯০ টাকা কেজিতে। তবে হাইব্রিড মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।

ঈদের ছুটি শেষে চট্টগ্রাম নগরে ফিরে আজই প্রথম কাজির দেউড়ি কাঁচা বাজারে এসেছেন বেসরকারি একটি স্কুলের শিক্ষিকা রুমি দে।

বাজার শেষে কাঁচা মরিচ কিনতে গিয়ে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন তিনি। কারণ বাজারে তার কাছ থেকে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ৪০০ টাকা চাওয়া হয়েছে, আর হাইব্রিড মরিচের দাম চাওয়া হয়েছে ৩২০ টাকা।

এ বিষয়ে রুমি জানান, আমি রীতিমতো বিস্মিত হয়ে গেছি কাঁচামরিচের দাম শুনে। ঈদের পর আজই বাজারে এসেছি প্রথম, কাঁচামরিচের দাম যে এতটা বেড়ে গেছে এ নিয়ে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। হঠাৎ করেই ইচ্ছে মতো দাম বাড়িয়েছেন বিক্রেতারা।

আমরা ক্রেতারা যেন সবসময়ই বিক্রেতাদের কাছে, অসাধু ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে আছি। তারা যখন যা ইচ্ছা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। দেশের কাঁচামরিচ আমরা কেন এত দাম দিয়ে কিনব? এটা রীতিমতো বিস্ময়কর একটি ব্যাপার।

দুই একদিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচের কেজি গিয়ে ঠেকবে ৪০০ টাকায়, এটা মেনে নেওয়া যায় না। হঠাৎ করেই এত দাম বেশি, তবুও বাধ্য হয়ে এক পোয়া কাঁচা মরিচ ১০০ টাকায় কিনতে হলো।

হঠাৎ কেন বাড়ল কাঁচা মরিচের দাম-জানতে চাইলে রেয়াজউদ্দিন বাজারের কাঁচা মরিচ বিক্রেতা আব্দুল জলিল সওদাগর জানান, পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। বাজারে সরবরাহ কম, পাইকারি বাজারেই আমাদের অতিরিক্ত বাড়তি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে। সে কারণে সেই প্রভাব এসে পড়েছে খুচরা বাজারে।

আগামী কিছুদিন বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম এমন বাড়তি থাকবে। আবার যখন তুলনামূলক কম দামে আমরা পাইকারি বাজার থেকে কাঁচা মরিচ কম দামে কিনতে পারবো, তখন ক্রেতাদের কাছেও কম দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করতে পারবো।

বক্সির হাট বাজারের কাঁচামরিচ বিক্রেতা নুরে আলম জানান, ঈদের সময় থেকে কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে। নতুন করে কাঁচা মরিচ ওঠার আগ পর্যন্ত এ দাম বাড়তিই থাকবে।

এদিকে বাজারে নানান অযুহাতে প্রায় সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে বিক্রেতারা। এক কথায় এ সপ্তাহের বাজারেও স্বস্থি নেই ক্রেতাদের।

শুক্রবার সকালে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁকরোল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, গোল বেগুন প্রতি কেজি ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৩০ টাকায়।

তাছাড়া লতি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধুন্দল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, করোলা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৭০ টাকা, কচুর মুখি প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি করছে বিক্রেতারা।

ক্রেতাদের প্রতি পিস লাউ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। লেবুর প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে