23 C
Chittagong
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদচট্টগ্রামআইনজীবি আলিফ হত্যার প্রধান আসামি চন্দন ভৈরবে গ্রেপ্তার

আইনজীবি আলিফ হত্যার প্রধান আসামি চন্দন ভৈরবে গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি চন্দনকে (৩৮)কে ভৈরব থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১২টার দিকে ভৈরব বাজার রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চন্দন চট্টগ্রাম বান্ডেল রোডের সেবক কলোনীর মেথরপট্টি এলাকার মৃত ধারীর ছেলে।

চন্দনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চন্দন ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে গতকাল রাত সাড়ে ৭টায় ভৈরব রেলস্টেশনে নামেন।

ট্রেন থেকে নেমে তিনি স্টেশনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তার ইচ্ছা ছিল রাত গভীর হলে ভৈরবের মেথরপট্টিতে তার শ্বশুরের বাসায় আশ্রয় নেবেন।

ওসি আরও বলেন, আলিফ হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে প্রধান আসামি চন্দন পলাতক ছিলেন। তার শ্বশুড়বাড়ি ভৈরবে জানতে পেরে চট্টগ্রামের ডিবি পুলিশের একটি টিম গত দুদিন ধরে ভৈরবে অবস্থান করছিল।

বুধবার তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জানতে পারে তিনি ভৈরবে অবস্থান করছেন। পরে এ খবর থানায় জানানো হলে টিম নিয়ে সন্ধ্যার পর থেকে ভৈরব রেলস্টেশনে অবস্থান করি। শেষমেষ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। বর্তমানে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের বিষয়টি চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ আসলেই তাকে হস্তান্তর করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের এসি দত্ত রোডের এক বিল্ডিংয়ের সামনে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার ১ নম্বর আসামী চন্দন।

এ মামলায় পুলিশ আগেই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামী চন্দন ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- কোতোয়ালী থানাধীন বান্ডেল রোড সেবক কলোনি এলাকার বাসিন্দা চন্দন, আমান দাস, শুভ কান্তি দাস, বুঞ্জা, রনব, বিধান, বিকাশ, রমিত, রুমিত দাশ, নয়ন দাস, গগন দাস, বিশাল দাস, ওমকার দাস, বিশাল, রাজকাপুর, লালা, সামির, সোহেল দাস, শিব কুমার, বিগলাল, পরাশ, গণেশ, ওম দাস, পপি, অজয়, দেবী চরণ, দেব, জয়, দুর্লভ দাস ও রাজীব ভট্টাচার্য্য

এ মামলায় পুলিশ আগেই ৯ জনকে গ্রেফতার করলেও প্রধান আসামি চন্দন ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল। অবশেষে তিনি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন।