27.1 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদআইন আদালতহাতি রক্ষায় চুনতি অভয়ারণ্যে দেশীয় বন সৃষ্টি ও গুমাইবিল রক্ষায় বেলার বিশেষ...

হাতি রক্ষায় চুনতি অভয়ারণ্যে দেশীয় বন সৃষ্টি ও গুমাইবিল রক্ষায় বেলার বিশেষ উদ্যোগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম বিভাগে চুনতি অভয়ারণ্যে হাতির প্রাকৃতিক খাদ্য উপযোগি বন সৃষ্টি, গুমাইবিল কর্ণফুলী ফেনি নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও হালদার উজানে তামাক চাষ বন্ধে সব ধরণের উদ্যোগ গ্রহন করবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলা।

আজ ৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর জিইসি মোড়স্থ একটি রেস্টুরেস্টে সিনিয়র সাংবাদিক ও বেলার নেটওয়ার্ক মেম্বার আলীউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বেলার নেটওয়ার্ক সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলার দেশব্যাপী কার্যক্রম নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেলার প্রোগ্রাম এবং ফিল্ড কোর্ডিনেটর এ এম এম মামুন। ২০২৪ সালে বেলার কার্যক্রম ও সফলতা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেলা চট্টগ্রাম সমন্বয়ক মনিরা পারভিন রূবা।

সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক বৈচিত্র রক্ষার ক্ষেত্রে কোন আপোষ নয়। চট্টগ্রামে যে কয়টি পাহাড় অবশিষ্ট আছে তা রক্ষায় সমীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রশাসন সচেতন জনগণ একসাথে কাজ করলে চট্টগ্রামের পাহাড় খাল নদী রক্ষা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সমতল এলাকা গাঙ্গেয় সমভূমি সৃষ্টি লক্ষ বছর আগে চট্টগ্রামের পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। যা হিমালয়ের অংশ। পাহাড় ধ্বংস করা করা হলে এই কক্সবাজারের রেজুখালী এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া ইন্দো অস্ট্রেলিয়ান টেকটনিক প্লেটে বিচ্যুতি ঘটে ভূমিকম্প বাড়বে।

বেলা চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সমন্বয়ক মনিরা পারভিন বলেন, চট্টগ্রাম পাহাড় নদী বনভূমি রক্ষায় আমাদের চলমান কার্যক্রম চলমান থাকবে। নতুন কোন ইস্যু আসলে তা নিয়ে কাজ করতে বেলা সব সময় প্রস্তুত।

সমন্বয় সভায় বৃহত্তর চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা উপস্থাপন করা হয়। সার্বিক আলোচনার ভিত্তিতি ২০২৫—২০২৬ বছরে বেলা চট্টগ্রাম বিভাগে চুনতি অভয়ারণ্যে রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করে বিলুপ্ত দেশীয় প্রজাতির গাজ লতা গুল্ম সৃষ্টি প্রকল্প গ্রহন করতে সরকারের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর গুমাইবিল লাগাতার অবৈধভাবে দখল হয়ে আসছিল।

সম্প্রতি বেলা ফিল্ড মিটিং করে গুমাই ব্যবহারকারীদের সিদ্ধান্ত রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। রাঙ্গুনিয়া ইউএনও মাইকিং করে নতুন করে গুমাইবিল ভরাট না করতে নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি অতীতে ভরাটকৃত বিল ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।

বেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় উক্ত বিলের সীমানা নির্ধারন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কাজ করবে।

তাছাড়া সোনাদিয়া ও চকরিয়ায় উজাড় হওয়া সুন্দরবন ফিরিয়ে আনতে চলমান প্রকল্প আরো গতিশীল করে নুতন করে বন উজাড় না হওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা সিদান্ত নেয়া হয়।

সমন্বয় সভায় বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে বেলার এরিয়া নেটওয়ার্ক মেম্বারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জুয়াম লিয়াম আমলাই, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, চট্টগ্রাম মহানগরীর দিলরুবা খানম ছুটি, খাগড়াছড়ির শ্যামল রুদ্র, চকরিয়ার মাহমুদুর রহমান, লোহাগাড়ার পুষ্পেন চৌধুরী, বায়েজীদের রেজাউল করিম রেজা, মিরসরাইয়ের ইকবাল হোসেন ও বাশখালীর জাকির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।