29.4 C
Chittagong
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদসারাদেশশফি ডাকাতের আস্তানায় র‍্যাবের অভিযান, গ্রেপ্তার ১

শফি ডাকাতের আস্তানায় র‍্যাবের অভিযান, গ্রেপ্তার ১

টেকনাফে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে কুখ্যাত শফি ডাকাত বাহিনীর অন্যতম সহযোগী ও একাধিক মামলার আসামি রুবেলকে লোডেড অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে টেকনাফের হ্নীলার পশ্চিম লেদা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, কুখ্যাত শফি ডাকাত সশস্ত্র সহযোগীদের নিয়ে ডাকাত খালেকের বাড়িতে অবস্থান করছে এবং তারা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

র‍্যাবের দল সেখানে পৌঁছালে ডাকাতরা গুলি চালাতে চালাতে পালিয়ে যায়। র‍্যাব তাদের ধাওয়া করে শফির অন্যতম সহযোগী রুবেলকে (২৭) লোডেড অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে।

পরে রুবেলের দেখানো মতে ঘটনাস্থল থেকে একটি শটগান, তিনটি দেশীয় এলজি, ১২ রাউন্ড তাজা গুলি, ৪২টি খালি কার্তুজ ও দুটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামি রুবেল টেকনাফের হ্নীলার পশ্চিম লেদার আবদুল গফুরের ছেলে। এ ঘটনায় পলাতক ডাকাত সদস্যরা হলেন, টেকনাফের হ্নীলার মৌছুনী এলাকার জাফর আলমের ছেলে মো. আলম (৩০), আবুল হোসেনের ছেলে মো. খালেক (৩৪), মো. নুরের ছেলে মো. সৈয়দ নূর (২৪), মো. কাশেমের ছেলে মো. রাসেল ওরফে আব্বুইয়া, মকতুল হোসেনের ছেলে কামাল হোসেন (৩৪), নুর ইসলামের ছেলে আনোয়ার সাদেক (২৭), আবুল হোসেনের ছেলে আবদুর রহমান (৩৬), মো. রিদুয়ানের ছেলে রবিউল হাসান, আবুল হোসেনের ছেলে আবদুল আউয়াল (২৫), নবী হোসেনের ছেলে মো. আসিফ (১৮) এবং মকবুল হোসেনের ছেলে ইমাম হোসেন (২৪)।

উল্লেখিত সবাই কুখ্যাত ডাকাত শফির সরাসরি নির্দেশনায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রমে জড়িত বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব-১৫ জানায়, এসব সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ হয়ে টেকনাফের পাহাড়ি ও সমতল এলাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

তারা অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, চাঁদাবাজি এবং ডাকাতি করে থাকে। গ্রেপ্তার রুবেলও এসব অপরাধে সরাসরি অংশগ্রহণ করতেন।

র‍্যাব জানায়, ডাকাত খালেক বর্তমানে শফি ডাকাতের সহযোগিতায় একটি নতুন ডাকাত দল গঠন করেছে এবং তারা আরও সুসংগঠিত হয়ে অপরাধ চালানোর চেষ্টা করছিল। এই চক্রকে দুর্বল করতে র‍্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

কুখ্যাত ডাকাত শফির বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি অপহরণ, চারটি অস্ত্র, দু’টি ডাকাতির প্রস্তুতি, তিনটি মারামারি, দু’টি হত্যা এবং একটি সরকারি কাজে বাধাদানের মামলা অন্তর্ভুক্ত।

র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান জানান, শফি ডাকাত ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মাদক কারবারি, অপহরণকারী, চাঁদাবাজ কিংবা ডাকাত, অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‍্যাব কঠোর অবস্থানে রয়েছে।