চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘একসময় বাংলাদেশ ছিল বনভূমি ও সবুজ গাছে ভরপুর।
কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত দখল, পাহাড় উজাড় ও বন ধ্বংসের কারণে সবুজ আচ্ছাদন কমে গেছে। তাই সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণে অংশ নিতে হবে।’
বুধবার (১৩ আগস্ট) সিটি করপোরেশন আয়োজিত নগরের লালদীঘি মাঠে সাত দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।
মেলায় ৬১টি স্টলে দেশি-বিদেশি ফলদ, বনজ, ঔষধি গাছের চারা বিক্রি হচ্ছে।মেলা চলবে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত।
আরও পড়ুন
তিনি নগরের পরিবেশ রক্ষায় ১০ লাখ চারা লাগানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মেলায় আসা শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অক্সিজেন দিয়ে ও কার্বন-ডাই অক্সাইড শোষণ করে গাছ আমাদের বেঁচে থাকার পথ সুগম করে।
ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বৃক্ষরোপণ একটি সওয়াবের কাজ—যতদিন গাছ বেঁচে থাকবে, ততদিন আমলনামায় সওয়াব লেখা হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানো ও পরিচর্যার গুরুত্ব বোঝান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
তিনি শিশুদের জন্য স্বাস্থ্যকর, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর পরিবেশ তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ময়লা জানালা বা রাস্তার বাইরে ফেলার পরিবর্তে ঝুড়িতে ফেলতে হবে, এতে নালা ভরাট হবে না এবং পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে ও সকালে দাঁত ব্রাশ করা, সকালের নাস্তা খাওয়া শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক। শিক্ষার্থীরা সততার সঙ্গে কাজ করতে এবং বিপদে থাকা বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে শিখবে।
চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন চসিক সচিব আশরাফুল আমিন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নগর পরিকল্পনাবিদ আবদুল্লাহ আল ওমর।

