27.1 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদটপ নিউজবাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতাকে হারানোর দিন আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতাকে হারানোর দিন আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ্জাক ও অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক, চলচ্চিত্র পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০১৭ সালে রাজ্জাক ও ২০০৮ সালে আবদুল্লাহ আল মামুন না-ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক। ১৯৫৯ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি ভারতের মুম্বাইয়ের ফিল্মালয়তে সিনেমার ওপর পড়াশোনা ও ডিপ্লোমা গ্রহণ করেন।

এরপর পার্শ্বচরিত্রে কলকাতার দুটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরই মধ্যে ১৯৬৪ সালে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কবলে পড়লে পরিবারসহ তিনি ঢাকায় চলে আসেন।

নির্মাতা কামাল আহমেদের সহকারী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ষাটের দশকে সালাউদ্দিন পরিচালিত ‘তেরো নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’-এ একটি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক।

নায়ক হিসেবে তাঁকে প্রথম দেখা যায় জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ ছবিতে।

এরপর থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বেশ দাপটের সঙ্গেই ঢালিউডে সেরা নায়ক হয়ে অভিনয় করেন রাজ্জাক, উপাধি পান নায়করাজের।

গুণী এ শিল্পী তাঁর অভিনয়শৈলী দিয়ে দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের কয়েক প্রজন্মের কাছে এখনো আইকন হয়ে আছেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশের মঞ্চ ও টেলিভিশন নাটক, চলচ্চিত্র, শিল্প-সংস্কৃতিকে প্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আবদুল্লাহ আল মামুনের ছিল অগ্রণী ভূমিকা।

সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশ ও সংরক্ষণ আন্দোলনে নেতৃত্বের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। ১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুরের আমলাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন মামুন।

ক্যারিয়ার শুরু করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক হিসেবে। পরবর্তীকালে পরিচালক, ফিল্ম ও ভিডিও ইউনিট, মহাপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সুবচন নির্বাসনে’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘সেনাপতি’, ‘এখনও ক্রীতদাস’, ‘কোকিলারা’, ‘দ্যাশের মানুষ’, ‘মেরাজ ফকিরের মা’, ‘মেহেরজান আরেকবার’।

নাট্যসংগঠন থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘সারেং বৌ’, ‘সখী তুমি কার’, ‘এখনই সময়’, ‘জোয়ারভাটা’, ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ ইত্যাদি।