চলতি বছরের হজ ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এই উপলক্ষ্যে হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্স ও হজ এজেন্সিগুলোকে বিশেষ গাইডলাইন মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মন্ত্রণালয় জানায় যে ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সৌদি সরকারের নির্দেশনা ও দেশীয় হজ প্যাকেজের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী একই সার্ভিস কোম্পানির অধীনে থাকা হজযাত্রীদের একই ফ্লাইটে সৌদি আরবে পাঠাতে হবে।
এছাড়া টিকিট ইস্যুর ক্ষেত্রেও বিশেষ রেশিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি এজেন্সিকে তাদের মোট যাত্রীর ২০ শতাংশ মাঝপথে এবং বাকিদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ হারে পাঠাতে হবে।
কোনোভাবেই প্রথম বা শেষ ধাপে ৩০ শতাংশের কম বা ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করা যাবে না।
প্রি-হজ ফ্লাইটের এই ব্যবস্থাপনা যেন বিঘ্নিত না হয় সেজন্য এজেন্সিগুলোকে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
মূলত শেষ সময়ের হুড়োহুড়ি ও ভোগান্তি এড়াতেই এই কোটা পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় টিকিট সংগ্রহ ও ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

