31.1 C
Chittagong
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদআইন আদালতগৃহ যুদ্ধের আশংকা মমের শেষ দেখে নেওয়ার ঘোষণা বাঁধনের

ইতালিতে বাঁধনের উপর হামলা

গৃহ যুদ্ধের আশংকা মমের শেষ দেখে নেওয়ার ঘোষণা বাঁধনের

পূর্ববার্তা প্রতিবদেন

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ এবং দেশে চলমান নানা সামাজিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।

মঙ্গলবার সকালে বাঁধনকে হেনস্তার একটি ভিডিও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন মম। ভিডিওটি দেখে ঘৃণা প্রকাশ করেন তিনি। পরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আরেকটি পোস্ট দেন এই অভিনেত্রী।

মম তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘কিছুই ঠিক হচ্ছে না! এই কর্মকাণ্ডগুলোর কোনোটাই ভালো হচ্ছে না! মাদরাসায় যৌন হয়রানি, গরিবের ওপর নির্যাতন, যেকোনো দলের অন্ধত্ব, খুন, সন্ত্রাস, রাহাজানি, শিশু নিখোঁজ, ধর্ষণ, শিক্ষিত বেকার সমস্যা, সর্বস্তরে নারীর প্রতি অসম্মান, নিজের মতের বাইরে গেলেই সে খারাপ, মাজার উচ্ছেদ, নাচ—গান, শিল্প—সাহিত্য, নৌকাবাইচ নিষেধ, ধর্মের নামে রাজনীতি, সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে রাজনীতি, ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল এবং অনিরাপদ নাগরিক জীবন…।’

দেশের চলমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে মম আরও লেখেন, ‘আরও এমন যত সব অযাচিত ঘটনা; যার কোনোটাই দেশ এবং আমাদের জন্য ভালো নয়। আমরা সাধারণ মানুষ প্রতারিত হয়েছি এবং হচ্ছি, আর এই অবস্থা চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ আসন্ন।’

নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন মম। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমি কোনো রাজনৈতিক দল করি না, আমার একটাই দল বাংলাদেশ। এ দেশটা সুস্থ থাকুক, সেটাই চাই।’

বাঁধনের ঘটনায় এরই মধ্যে শোবিজ অঙ্গনের অনেকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ভেনিসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবস্থানকালে হামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে বাঁধন জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন তিনি।

তাঁর দাবি, হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। বাধনকে ইতালিতে প্রকাশ্যে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরায় হয়।

ইতালির ভেনিসে সপরিবারে হামলা ও হয়রানির শিকার হওয়ার পর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এই ঘটনার শেষ দেখার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া কয়েকজনকে দায়ী করেছেন তিনি। ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান বাঁধন।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বাঁধন জানান, তিনি বর্তমানে নিরাপদে আছেন ও হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে নেবেন।
বাঁধন বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে পরিচয় দেওয়া যারা, তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমার জন্য আমার ছোট ভাইয়ের পরিবার ও তার ছোট্ট সন্তান যেভাবে আক্রমণের শিকার হয়েছে। এটা মেনে নেওয়ার মত নয়। আমি থানায় কেস ফাইল করবো। এখানকার অনেকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি কেস ফাইল না করে ভেনিস থেকে বাংলাদেশে আসছি না। এটার শেষ আমি দেখে ছাড়ব।’