29.9 C
Chittagong
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদঅর্থ-বাণিজ্যআসছে নতুন মেট্টোরেল খরচ ৭০ শতাংশ বেশি

আসছে নতুন মেট্টোরেল খরচ ৭০ শতাংশ বেশি

পূর্ববার্তা প্রতিবদেন

মেট্টোরেল প্রকল্প ব্যয়ে আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন মেট্রোরেল প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ‘একই কোম্পানি, একই শহর, তবু খরচে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পার্থক্য’।

এই প্রকল্পগুলোর আওতায় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড মোট ৬৮.৪৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করবে। ভূগর্ভস্থ ও উড়ালপথের এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রতি কিলোমিটার নির্মাণ ব্যয়ে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

তিন প্রকল্পের মধ্যে দুটি হলো— জাপানের অর্থায়নে এমআরটি লাইন—১ (বিমানবন্দর—কমলাপুর) ও এমআরটি লাইন—৫ নর্দার্ন (হেমায়েতপুর—ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব।এর মধ্যে এমআরটি লাইন—১—এ প্রতি কিলোমিটারে খরচ পড়বে তিন হাজার ৬৬৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং এমআরটি লাইন—৫ নর্দার্নে তা বেড়ে দাঁড়াবে চার হাজার ৪৯২ কোটি টাকা।

অপর প্রকল্পটি হলো এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নের এমআরটি লাইন—৫ সাউদার্ন (গাবতলী—দাশেরকান্দি) প্রকল্প। তুলনামূলক কম খরচের এই প্রকল্পে কিলোমিটার প্রতি খরচ পড়বে দুই হাজার ৬৪৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

একনেক সভার পর সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আবদুর রহিম সাকি এক প্রশ্নের জবাবে জানান, নির্মাণসামগ্রীর উৎস ও বৈদেশিক অর্থায়নের শর্তের কারণেই মূলত খরচের এই পার্থক্য তৈরি হয়েছে।জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোতে জাপানি ঠিকাদার, পরামর্শক, তাদের পণ্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক হওয়ায় আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ সীমিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

একই শহরে একই কোম্পানির বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে খরচের এই পার্থক্যের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।

তারা সতর্ক করেছেন, শর্তযুক্ত অর্থায়ন ও সীমাবদ্ধ ক্রয়প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশকে দুর্বল করতে পারে। এছাড়া, খরচের এই ব্যাপক বৃদ্ধি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়াবে এবং অন্যান্য জরুরি খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সরকারের সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। এআর/নিউএজ