37.5 C
Chittagong
শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদরাজনীতিনির্বাচনের পর যেসব কর্মসূচি দিলো বিএনপি

নির্বাচনের পর যেসব কর্মসূচি দিলো বিএনপি

রাজনীতি ডেস্ক : নির্বাচনের আগে ঢাকাসহ সারা দেশে মিছিল ও গণসংযোগ করে বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার নির্বাচনের পর নতুন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিলো বিএনপি।

সোমবার (৮ জানুয়ারি) গুলশানে দলটির চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান।

কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) ও বুধবার (১০ জানুয়ারি) লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করবে দলটি।

মঈন খান বলেন, বাস্তবতার নিরিখে আজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অন্তবর্তীকালীন স্বাধীন সরকারের মাধ্যেমে নির্বাচন হতে হবে। সত্যিকার অর্থে জনগণ যে ক্ষমতার উৎস, তাদের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে। যেন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। আমরা একটি ইশতেহার চেয়েছি। যেখানে আমাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রয়োজনীয় সংষ্কার চেয়েছি। আমরা রাজনীতি করি জনগণের সেবা করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ এ সরকারকে বর্জন করেছে। গতকাল জনগণ শুধু ভোট বর্জনই করেনি, তারা আওয়ামী লীগের বিদ্যমান কর্মকাণ্ডকে বর্জন করেছে। জনগণযে ভোট বর্জন করেছে এটাই তার প্রমাণ। বিএনপি জনগণের দল এবং জনগণের শক্তিকে বিশ্বাস করে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা রাজপথে ছিলাম এবং থাকবো যতদিন না জনগণের কাছে ক্ষমতো ফিরিয়ে দিতে না পারবো। বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। তারই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত গণসংযোগ অব্যাহত রাখবো। রাজপথে হাঁটে-মাঠে-ঘাঁটে মানুসের কাছে যাব। তাদের সঙ্গে কথা বলবো।

প্রয়োজনে আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) ও পরশুদিন বুধবার (১০ জানুয়ারি) তাদের কাছে লিফলেট বিতরণ করবো। এ গণসংযোগের মাধ্যেমে গণসচেতনতা সৃষ্টি করবো। যা হবে গণমানুষের সচেতনতা, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সচেতনতা।

মঈন খান বলেন, দেশের জনগণ একচেটিয়াভাবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। ৬৩টি রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আমি সবাইকেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আওয়ামী লীগ ডামি নির্বাচন করেছে, ডামি প্রার্থী দিয়েছে, ডামি পর্যবেক্ষক দিয়েছে, তবু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিতে পারেনি। সরকারের প্রতি যদি মানুষের আস্থা থাকতো মানুষ নিজেই ভোট দিতে আসতো।

৪০ শতাংশ ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য প্রসঙ্গে মঈন খান বলেন, প্রথমে বলা হলো ২৭.৫ পারসেন্ট ভোট পড়েছে, টেকনোলজির কল্যাণে জানা গেছে, পাশ থেকে এক কর্মকর্তা বলছেন ৪০ পারসেন্ট বলতে হবে।

জনগণ ডামি নির্বাচন বর্জন করে প্রমাণ করেছে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ভুয়া। নির্বাচন কমিশন দুই একটা কেন্দ্র বন্ধ করে প্রমাণ করতে চেয়েছে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। এসব নাটক জনগণ বুঝে গেছে।

ড. মঈন খান আরও বলেন, আগামীতে যে সরকার গঠন করবে তা হবে- ফর দ্যা ডামি, বাই দ্যা ডামি, এমন ডামি সরকার চায় না। দেশের মানুষ এ সরকারের পরিবর্তন চায়, কারণ তারা ক্ষমতার অপব্যাবহারের মাধ্যমে তারা সৃষ্টি করেছে তা ‘অলিগার্ক’।

সুতরাং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে চায় বিএনপি।

এর আগে গতকাল রোববার (৭ জানুয়ারি) নানা জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তবে নির্বাচন বর্জন করে এদিন হরতাল পালন করে বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলো। সাধারণ মানুষকে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল এসব দল।