28.8 C
Chittagong
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদজাতীয়ভারত-বাংলাদেশ যেসব বিষয়ে একমত

ভারত-বাংলাদেশ যেসব বিষয়ে একমত

জাতীয় ডেস্ক :

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়েছেন দুই দেশের সরকারপ্রধান।

শনিবার (২২ জুন) দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ এক সংবাদ বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ ও দেশের উন্নতির জন্য একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত।

তিনি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমরা রাজনীতি ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও যোগাযোগ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, উভয় দেশই একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে আমাদের পথ দেখানোর জন্য ‘রূপকল্প ঘোষণা’ অনুমোদন করেছে।

আমরা টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ‘ডিজিটাল অংশীদারিত্ব’ এবং ‘সবুজ অংশীদারিত্ব’ বিষয়ক দুটি সমন্বিত রূপকল্পকে সামনে রেখে কাজ করতে সম্মত হয়েছি।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশি, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত এবং দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা দুই দেশের এবং জনগণের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করার বিষয়ে সম্মত হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘রূপকল্প-২০৪১’ এর মাধ্যমে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ অনুসরণ নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দু’দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি আলোচনাসমূহ আমাদের একে অপরকে সহযোগিতার উন্নততর পথ নিরূপণে গুরুতপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেবে।

এ সময় ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ এবং মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান শেখ হাসিনা।

এর আগে, দুই দেশের সরকারপ্রধান দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

যেগুলোর মধ্যে ৭টি নতুন আর পুরানো তিনটি সমঝোতা স্মারক নতুন করে নবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।