26.9 C
Chittagong
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদশিরোনামচট্টগ্রামে বাড়ছে শীতের তীব্রতা

চট্টগ্রামে বাড়ছে শীতের তীব্রতা

চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার অনেক উপজেলায় তীব্র শীত অনুভূত হতে শুরু করেছে। রবিবার রাত থেকে শীতের তীব্রতা অনুভূত হলেও সোমবার ভোর থেকে শীত যেন অনেকটা ঝেঁকে বসেছে।

ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে জনপদ। কিছু কিছু এলাকায় সূর্যমামার দেখা মিলেছে সকাল ১০টার পর। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডার জবুথবু হয়ে পড়েছে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চট্টগ্রামে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেখা গেছে, রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে ছিল চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা। শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষ। ধীরে ধীরে এর তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শীত নিবারণের জন্য মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আগাম প্রস্তুতি নিলেও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষগুলো শীতবস্ত্র সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে। সন্ধ্যা থেকে সকাল অবধি ঘন কুয়াশায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়ছে জেলার বিভিন্ন এলাকা। ভোরের আলো দেরিতে এক ঝলক দেখা দিলেও ফুরিয়ে যাচ্ছে অতি সহজেই।

পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা রহিম মিয়া বলেন, ঘন কুয়াশা সেই সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় হাড় কাপানো শীত পড়া শুরু হয়ে গেছে। গতকাল রবিবার রাত থেকে তাপমাত্রা কমে আসায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন পাথরঘাটা এলাকার বাসিন্দা রানা সেন বলেন, রবিবার রাত থেকে শীত পড়ছে। সোমবার ভোর ৬টার দিকে কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল রাস্তাঘাট, কিছু দেখা যায় না। এ রকম ঠান্ডা ও শীত হলে বয়স্ক মানুষগুলোর খুবই সমস্যা। দেখা দেয় ঠান্ডাজনিত নানা রোগ।

চট্টগ্রামস্থ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে বলা হয়, আজ সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা আগামীতে আরও কমার সম্ভাবনা আছে।

আজ সকালে চট্টগ্রামসহ প্রায় সারা দেশ ঢেকে যাবে ঘন কুয়াশায়। গতকাল রাতে সবচেয়ে ঘন কুয়াশা বিরাজ করেছে চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর ওপরে।

আবহাওয়া বিশ্লেষকরা বলছেন, ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমে আসায় শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। টানা তিন দিন একই রকম পরিস্থিতি হলে তখন চট্টগ্রামে শৈত্যপ্রবাহ বলা যাবে। আর চট্টগ্রামে সে সম্ভাবনা কম। যদিও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।