কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বন্ধুদের সাথে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ছাত্র আসিফ আহমদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৯ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের নাজিরারটেক উপকূল থেকে আসিফ আহমদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এনিয়ে তিন বন্ধুর মধ্যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অপর ছাত্র অরিত্র হাসান।
এর আগে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে পেচারদ্বীপ সৈকতে গোসলে নামেন চবির তিন শিক্ষার্থী- অরিত্র হাসান (২২), আসিফ আহমেদ (২২) ও কে এম সাদমান রহমান (২২)।
এর মধ্যে সাদমানের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি দুজন নিখোঁজ থাকেন।
সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ৫ বন্ধু মিলে কক্সবাজার ঘুরতে আসে। তারা সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩-২৪ সেশনের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের বিভাগের শিক্ষার্থী। তারা সকালে হিমছড়ি সৈকতে যায়।
তাদের মধ্যে দুজন বাঁধের উপরে বসে ছিল আর বাকি ৩ জন বাঁধের নিচে নেমে গোসল নামে। এ সময় ঢেউয়ের তোড়ে সাগরে ভেসে যায়। যার মধ্য সাদমান রহমান সাবাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থা জানায়, চলতি মাসেই পেচারদ্বীপে এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটল। গত মাসেও এখানে গোসলে নেমে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের ১২০ কিলোমিটারের মধ্যে ১১৭ কিলোমিটারই পর্যটকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মাত্র ৩ কিলোমিটার সৈকতে লাইফ গার্ড থাকলেও, তাদের সংখ্যাও হাতে-গোনা। এর ফলে কক্সবাজারে সাগরে ডুবে পর্যটক মৃত্যুর ঘটনা কমছে না, বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে।

