বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পোশাক পরিধান বিষয়ে দেওয়া পরামর্শমূলক সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার এক বার্তায় এ তথ্য জানান ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় অফিস সময়ে পেশাদার ও মার্জিত পোশাক পরিধানের পরামর্শ দেওয়ার বিষয়ে স্ব-স্ব বিভাগীয় সভায় আলোচনায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
তবে এ বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি এবং এসংক্রান্ত কোনো সার্কুলারও জারি করা হয়নি।’
আরিফ হোসেন খান আরও জানান, বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে বিদেশে অবস্থানরত গভর্নরের নজরে এলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তাঁর নির্দেশেই তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্তটি প্রত্যাহার করা হয়।
এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নারী কর্মীদের ছোট হাতা ও স্বল্প দৈর্ঘ্যের পোশাক, লেগিংস পরিধান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
পাশাপাশি নারী কর্মীদের জন্য শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ ও ওড়না এবং পেশাদার ও শালীন পোশাক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। পুরুষ কর্মীদের ক্ষেত্রেও ফরমাল শার্ট ও প্যান্ট পরার কথা বলা হয় এবং জিনস ও গ্যাবার্ডিনের মতো পোশাক পরা নিরুৎসাহিত করা হয়।
শত শত মুসলমানকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে বিতাড়িত করছে ভারতশত শত মুসলমানকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে বিতাড়িত করছে ভারত
তবে বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৫১ মিনিটে বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়, পোশাকবিষয়ক নির্দেশনাটি ছিল ‘পরামর্শমূলক’ এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল অফিসে কারুকার্যময় পোশাক পরার প্রবণতা নিরুৎসাহিত করা।
ব্যাংকের ভাষ্য, এতে করে কর্মীদের পোশাকের স্বাধীনতা খর্ব হবে না বলেই তাদের বিশ্বাস।

