30.2 C
Chittagong
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদচট্টগ্রামচাকসুতেও ছাত্রদলের ভরাডুবি,ছাত্রশিবিরের বিশাল জয়

চাকসুতেও ছাত্রদলের ভরাডুবি,ছাত্রশিবিরের বিশাল জয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’।

ভিপি ও জিএসসহ মোট ২৬টি পদে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ২৪টি পদেই জয় পেয়েছেন এ প্যানেলের প্রার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে মো. ইব্রাহিম হোসেন রনি এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সাঈদ বিন হাবিব নির্বাচিত হয়েছেন।

প্যানেলটির বাইরে সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এবং সহ-খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী তামান্না মাহবুব প্রীতি জয় লাভ করেছেন।

গতকাল (বুধবার) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ভোট গণনা করা হয় ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে এবং ১৪টি এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি দেখানো হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন জানান, হাতে ব্যবহৃত অমোচনীয় কালি উঠে যাওয়ার মতো কিছু বিচ্ছিন্ন অভিযোগ থাকলেও, সার্বিকভাবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

ভিপি পদে বিজয়ী ইব্রাহিম হোসেন রনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল-সমর্থিত সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৪ ভোট।

জিএস পদে বিজয়ী সাঈদ বিন হাবিব পেয়েছেন ৮ হাজার ৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, ছাত্রদলের মো. শাফায়েত হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৭২৪ ভোট।

এজিএস পদে আইয়ুবুর রহমান তৌফিক পেয়েছেন ৭ হাজার ১৪ ভোট, যেখানে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্রার্থী সাজ্জাত হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৫ ভোট।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চাকসু, হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। এবারের নির্বাচনে ১৩টি প্যানেলের মোট ৯০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২৩২টি পদে।

কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪১৫ জন, আর ১৪টি হল ও একটি হোস্টেলের পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৯৩ জন প্রার্থী। নারী প্রার্থী ছিলেন ৪৭ জন।

ভোটারদের ভোট দিতে হয়েছে সর্বমোট ৪০টি পদের জন্য। যার মধ্যে ২৬টি কেন্দ্রীয় এবং ১৪টি হল সংসদের পদ।