20.1 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদজাতীয়‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সচিবালয়ে ব্যানার

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সচিবালয়ে ব্যানার

আসন্ন গণভোটের মুখোমুখি জনগণকে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বোঝানো এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটে আগ্রহী করতে বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবনে ব্যানার টাঙানো হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে সচিবালয়ে এসব ব্যানার দৃশ্যমান।

একটি ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘গণভোট ২০২৬ সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে, গণভোটে অংশ নিন অন্যকে উৎসাহ দিন।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবনে লাগানো ব্যানারে আরো লেখা হয়েছে, ‘গণভোট ২০২৬: সংসদ নির্বাচন, আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।

সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।

বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব ধাপে ধাপে বাড়বে।

ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। দেশের বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা হবে।

আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বৃদ্ধির সুযোগ আছে। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে।

‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে উপরোক্ত সবকিছু পাবেন। না ভোট দিলে কিছুই পাবেন না। মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনারই হাতে। এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়েরও এমন ধরনের ব্যানার দেখা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে গণভোটের লোগো ব্যবহার এবং প্রচারণার ব্যানার সঠিক স্থানে প্রদর্শনের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

গুরুত্বপূর্ণ এই গণভোট সম্পর্কে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত প্রয়োজন।