চট্টগ্রামের উপ পুলিশ কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চট্টগ্রাম তাকে দ্বিতীয় জীবন দিয়েছিল। সেই হাসান মো: শওকত আলী সিএমপি কমিশনার হিসাবে যোগ দিলেন। ২০১৯ সালের এপ্রিলে চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন সদ্য সিএমপি কমিশনার হিসাবে নিয়োগ পাওয়া শওকত আলী। কিন্তু তখন অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।
১৮ তম ব্যাচে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগ পান হাসান মো. শওকত আলী। চট্টগ্রামের আসার আগে খুলনা মহানগর পুলিশের উপ—কমিশনার ছিলেন তিনি। ২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট তাকে বদলি করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে সংযুক্ত করা হয়।
এরপর নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ—কমিশনার (উত্তর) পদে হাসান মো. শওকত আলী দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ গত বছরের শেষের দিকে উপ—কমিশনার (পিওএম—বন্দর) পদে তাকে বদলি করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ মহিউদ্দিন বলেন, ডিসি হাসান মো. শওকত আলী স্যার অত্যন্ত ভদ্র ও পরোপকারী মানুষ। নিভৃতচারী, স্বল্পভাষী এই মানুষটিকে পুলিশ বাহিনীর সম্মান—মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপকারে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করতে দেখেছি। অমায়িক এই মানুষটির সুস্থতার জন্য জাতিধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষকে প্রার্থনার দুহাত একত্রিত করার অনুরোধ জানান তরুণ পুলিশ কর্মকর্তা আসিফ মহিউদ্দিন।
অপর পুলিশ কর্মকর্তা র মইনুল ইসলাম বলেন, অসম্ভব সৎ কর্মকর্তা আমাদের স্যার (হাসান মো. শওকত আলী)। সেরার মধ্যে সেরা তিনি। একেবারে নিভৃতচারী মানুষ। স্যারকে, আল্লাহ কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছেন।
পুলিশের ১৮ তম ব্যাচের অনেকেই অতিরিক্ত কমিশনার বা অতিরিক্ত উপ—মহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) পদে পদোন্নতি পেলেও হাসান মো. শওকত আলীর ভাগ্যে পদোন্নতি জোটেনি। অবশ্য এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপও ছিল না।
সোমবার (১৬ মার্চ ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালযের পুলিশ শাখা—১ এর উপ—সচিব তৌহিদ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজকে বদলি করে এআইজ (এনপিবি) হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার পরিবর্তে হাসান মো: শওকত আলীকে নতুন সিএমপি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

