28.1 C
Chittagong
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪
spot_img

― Advertisement ―

spot_img
প্রচ্ছদজাতীয়বৈদেশিক ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বৈদেশিক ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক :

বৈদেশিক ঋণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার এবং উন্নয়ন প্রকল্পে বিলম্ব না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, সরকারি বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আদেশও দিয়েছেন তিনি।

বুধবার পরিকল্পনা কমিশনের তৃতীয় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব:) আব্দুস সালাম ও পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলনকক্ষে পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বৈঠকে কমিশনের বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা ও গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ফিজিবিলিটি স্টাডিতে অর্থাৎ প্রকল্প নেওয়ার আগে সমীক্ষা যাচাই-বাছাইয়ে জোড় দিতে হবে।

উন্নয়ন কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রকল্প গ্রহণের আগে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পুল করা হবে। কারণ, অনেক প্রকল্প পরিচালক দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। এ জন্যই দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দিতে বিশেষজ্ঞ প্যানেলকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আব্দুস সালাম বলেন, সঠিক সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্পের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও নজরদারি বাড়াতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়মতো অর্থ ছাড় করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া, প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির প্রবণতা ত্যাগ করতে হবে বলে।

কমিশন জানায়, এবারের বৈঠকে পাঁচটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে, সরকারি বিনিয়োগের গতিধারা পর্যালোচনা, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রক্ষেপণের সঙ্গে এডিপি বাস্তবায়নের বরাদ্দের অসামঞ্জস্যতা এবং সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন প্রক্রিয়াকরণ ও সংশোধন সংক্রান্ত নির্দেশিকা পরিমার্জন বা সংশোধন।

এ ছাড়া, নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের অগ্রগতি এবং সেক্টর বা বিভাগভিত্তিক উল্লেখযোগ্য বিষয়াদিও পর্যালোচনা করা হয়েছে।