জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে জুলাই শহিদদের স্মরণে আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডি চট্টগ্রামের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) পিআইডি চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পিআইডি চট্টগ্রামের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো: সাঈদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের উপপরিচালক মুনতাসির জাহান।
আলোচনায় অংশ নেন পিআইডি চট্টগ্রামের সিনিয়র তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী, জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মো. বোরহান উদ্দীন, বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের প্রযোজক (অনুষ্ঠান) লুৎফর রহমান, মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার জেবুন্নেসা প্রমূখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিআইডি চট্টগ্রামের তথ্য অফিসার জি. এম সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মরনে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এছাড়া শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মোনাজাত পরিচালনা করেন কাট্টলি জাকেরুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আবু হানিফা মো. নোমান।
প্রধান আলোচক তার বক্তৃতায় বলেন, জুলাই যুদ্ধ নামে পরিচিত এ গণ-অভ্যুত্থান ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত চলেছিল। মূলত সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হলেও ধীরে ধীরে এ আন্দোলন ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতাদের একজন আবু সাঈদ, যিনি ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে নিহত হন এবং তাঁর মৃত্যু আন্দোলনের মূল স্তম্ভ হয়ে ওঠে ।
এছাড়া চট্টগ্রামে ওয়াসিম, ওমর ফারুক, শান্তসহ অনেকে শহিদ হন। তাদের মৃত্যু মানুষকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার প্রেরণা যোগায়।
সভাপতির বক্তব্যে উপপ্রধান তথ্য অফিসার বলেন,জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তারা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন।
তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি।
এ দেশকে সত্যিকার অর্থে বৈষম্যহীন করতে হলে ব্যক্তিগত মতভেদ ভুলে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

