সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ত্রিতরঙ্গের উদ্যোগে কর্ণফুলী নদী থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ ও বর্জ্য না ফেলতে সচেতনতামূলক প্রচার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত ২৩ মার্চ ২০২৬ বিকালে কর্ণফুলী থেকে কালুরঘাট ব্রিজ পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভাসমান জলযানে বক্তব্য সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে নদীর উভয় তীরের মানুষকে নদী খালে প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলতে সচেতন করা হয়। কর্ণফুলী প্লাস্টিক মুক্ত অভিযান ২০২৬ এর আবহবায়ক আরিফ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন ঘাতে ও নদী তীরের বাসিন্দাদের উদ্যেশ্যে সচেতনতা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক আলীউর রহমান, ত্রিতরঙ্গের বষীর্য়ান সদস্য শহীদ মিয়া বাহার, আফতাব উদ্দিন ডিকেন্স দেবদুলাল ভৌমিক, ব্যাংকার রূপক রক্ষিত, জিয়াউদ্দিন রনি, কলামিস্ট আকতার কামাল চৌধুরী, সাব্বির হোসেন, শিক্ষিকা ও সংগীত শিল্পী কান্তা দে, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন সভাপতি এস এম পেয়ার আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক লোকমান দয়াল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদীতে প্রতিদিন আড়াই শতাধিক টন পলিথি বর্জ্য বিভিন্ন খাল নালা ও নদী তীরের মানুষের মাধ্যমে কর্ণফুলীতে পড়ছে। যে প্লাস্টিক বর্জে্য ডুবে যাচ্ছে কর্ণফুলী নদী। স্থান ভেদে এই নদীর তলদেশে সাত থেকে দশ ফুট প্লাস্টিক বর্জে্যর আস্তরন জমে গেছে। প্লাস্টিক বর্জে্যর কারনে কর্ণফুলীর জীব বৈচিত্র ধ্বংস হচ্ছে। নদীর পানি ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসেনর সময় উপযোগি পদক্ষেপ না নেয়ায় এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ ও সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে জন সচেতনতা সৃষ্টি করে এই বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব। যে কারনে ত্রিতরঙ্গ চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কর্ণফুলীকে প্লাস্টিক বর্জ্য মুক্ত রাখতে ত্রিতরঙ্গের সচেতনতা অভিযানে বক্তরা
প্লাস্টিক বর্জ্যে ডুবছে কর্ণফুলী
পূর্ববার্তা প্রতিবদেন

